বিশেষ প্রতিনিধি সঞ্জয় কুমার কর্মকার ।। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো: মোজাম্মেল হকের যোগদান করার পর,এবার পুলিশের উপর আস্থা ফিরেছে সাধরণ মানুষের, প্রতিদিন চলছে মাদক অভিযান,নড়ে ছড়ে বসতে শুরু করেছে নগরীর বিভিন্ন মাদক, অস্ত্র ব্যাবসায়ীরা। তবে অল্প সময়ে কমিশনার হিসেবে দ্বায়িত্ব গ্রহণ করার পরে থেকে বিভিন্ন মামলা, মাদক,অস্ত্র,জঙ্গি অভিযান চলমান রেখেছেন নগরীতে।
মোঃ মোজাম্মেল হক,বিপিএম (বার),পিপিএম-সেবা পুলিশ কমিশনার বলেন,আমি নগরীর প্রতিটা মানুষের নিরাপত্তা প্রদানকরা আমাদের দ্বায়িত্ব। আমরা সবাই যদি একসাথে কাজ করি তা হলে, সুন্দর একটা স্মার্ট নগর হিসাবে মানুষ রাতদিন চলাছল করতে পারবো। তিনি আরো বলেন,বর্তমানে নগরীতে হাইড্রোলিক হর্ণ এবং কালো গ্যাস ব্যবহারকারী গাড়ির বিরুদ্ধে আমরা অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছি।
এছাড়া কেএমপি’র ট্রাফিক বিভাগের উদ্দেশ্যে পুলিশ কমিশনার মোঃ মোজাম্মেল হক,বিপিএম (বার),পিপিএম-সেবা বলেছেন,প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকেই সততা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে দায়িত্ব পালন করতে হবে,সেবা প্রত্যাশীদের সাথে কখনোই অসদাচরণ করা যাবে না। মহানগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আরও সু-সংগঠিত করার জন্য আগামী সেপ্টেম্বরে ট্রাফিক সপ্তাহ উদ্যাপন করা হবে।
অনিবন্ধিত যানবাহন,গাড়িতে হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারকারী এবং কালো গ্যাস ব্যবহারকারী গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ অনুযায়ী মামলা দিয়ে জরিমানা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।
পুলিশ কমিশনার আরো বলেন,নগরীতে বহুতল ভবন করতে হলে অবশ্যই পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সঠিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা করে পার্কিং স্পেস রাখতে হবে অন্যথায় ট্রাফিক ক্লিয়ারেন্স বা প্রত্যয়ন প্রদান করা হবে না। তিনি আরও বলেন,ট্রাফিক ডিভিশন সর্বদা বডি ওর্ন ক্যামেরা নিয়ে ডিউটি পালন ছাড়াও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে হবে। স্কুল কলেজ শুরু ও ছুটির সময় ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে করে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে সেজন্য যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য সব সময় কাজ করতে হবে।
নগরীতে কোন প্রকার মাদক,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ,জমি দখল,কিশোং গ্যাং,জঙ্গি মন্ত্রাস,মুক্তকরার লখ্যেনিয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে। পুলিশ কমিশনার যোগদান করার পর থেকে সাধরণ মানুষের মনে আস্থা ফিরেছে। বড় বাজার ব্যবসায়ী আকবার বলেন,বর্তমান আমরা ভালো ভাবে ব্যবসা করতে পারছি।
পুলিশ কমিশনার আরো বলেন,প্রতিটা মানুষের মানবিক চিন্তা থাকলে সমাজের পিছিয়ে পড়া অসহায় মানুষের জন্য কাজ করা যায়। পেশাগত কাজের বাইরেও মানুষের জন্য যে অনেক কিছু করা যায়। অল্প সময়ে খুলনাতে যোগদান করার পর থেকে মানবিক এই পুলিশ কমিশনার,মোঃ মোজাম্মেল হক,বিপিএম (বার),পিপিএম-সেবা সেটা নগরবাসীকে দেখিয়ে দিছেন। সাধারণ মানুষের পাশে থেকে এই পুলিশ কর্মকর্তা অল্প সময়ে মানুষের মনে বিশ্বাস জায়গা করে নিয়েছে।
যুবলীগ নেতা মোস্তফা নজর বলেন,আমরা বর্তমানে খুব ভাল আছি, পুলিশ যে ভাবে রাতদিন মানুষের পাশে থেকে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে,সেটা এলাকার মানুষ রাতদিন পরিবার পরিজন নিয়ে নিচ্ছেনতে চলাচল করতে পারে। মানবিক এই পুলিশ কর্মকর্তা, সব সময় সমাজের বঞ্চিত দরিদ্রদের জন্য তিনি অনেক কাজ করেছেন যাচ্ছেন রাতদিন। শিক্ষার উন্নয়নেও তিনি অশেষ অবদান রেখেছেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি যা করেছেন এবং করে যাচ্ছেন,তা দেখে যে কোনো শুভবোধ সম্পন্ন মানুষ মুগ্ধ হতে বাধ্য।
তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন যে কেবল পেশাগত দায়িত্বই শেষ নয়, মানবিক চিন্তা থাকলে সমাজের পিছিয়ে পড়া অসহায় মানুষের জন্য অনেক কিছু করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। তিনি নিজেকে পেশাগত কর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন সাধারণের সেবায়। সমাজ পরিবর্তনে, মানুষের কল্যাণে,মানবতার স্বার্থে পুলিশের কার্যকর ভূমিকায় অবিরাম ব্যতিক্রমী অবদান রেখে চলছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা ভূমিকার কারণে ইতিমধ্যে খুলনার জনগোষ্ঠীর অনেকের সামাজিক অবস্থানে পরিবর্তন এসেছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া সাধরণ মানুষের জন্য জীবনমান উন্নয়নে ও মূলধারায় উঠিয়ে আনতে তিনি অবাক করার মতো কাজ করছেন যাচ্ছেন। পুলিশি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সমাজ ও মানুষের জন্য কাজ করা ব্যতিক্রমধর্মী চিন্তা ও ভূমিকা দেখে মেট্রোপলিটন,সকল কর্মকর্তরাসহ সাধরন মাুষশের পুলিশের প্রতি আস্থা ফিরে এসেছে।
পুলিশ সম্পর্কে মানুষের যে কিছুটা নেতিবাচক ধারণা রয়েছে,তিনি তা পাল্টে দিয়েছেন। পুলিশ কতটা মানবিক,কতটা সহায়ক,কতটা প্রয়োজন, কতটা আন্তরিক এসব দেখিয়ে দিয়েছেন তিনি ইতি মধ্যে খুলনায় আসার পর নিজের চোঁখে দেখিয়ে দিয়েছেন।এছাড়া তিনি সকল থানা গুলিতে অফিসারদের ইনচার্জদের নির্দেশ দেওয়া দিয়েছেন, সাধারন মানুষের জন্য আন্তরিক ভাবে কাজ করতে হবে পুলিশের। কোন থানায় সাধারন মানুষ সেবা নিতে গিয়ে যেন কষ্ট না পাই রাতদিন আমার সরকারী ফোন সবাই কথা বলতে পারবেন, আপনাদের ভাল মন্ধ দেখার জন্য আমি সহ আমার পুলিশ বাহিনী আপনাদের পাশে থাকবে এইটা পুলিশের দ্বায়িত্ব বলে আমি মনে করি। এছাড়া পেশাগত দায়িত্বই শেষ নয়,মানবিক চিন্তা থাকলে সমাজের পিছিয়ে পড়া অসহায় মানুষের জন্য করা যায়।
আমাদেরবাংলাদেশ ডটকম/রাজু